‘ডা:’ পদবি ব্যবহার নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও সম্মানহানির অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ডা. ফখরুদ্দিন মানিক। এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন।
পোস্টে ডা. ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে শোকজ বা কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া মানেই অভিযোগ প্রমাণিত—এমনটি নয়। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পরিষ্কারভাবে বুঝতে ও যাচাই করতে শোকজ করে থাকে এবং শুনানির মাধ্যমে এর নিষ্পত্তি হয়ে থাকে।
তিনি আরও বলেন, ‘ডা:’ পদবি ব্যবহার নিয়ে যে অর্থে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, বিষয়টি একটি সেটেল্ড ইস্যু। নিজের বিজয়ের সম্ভাবনায় ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে প্রতিপক্ষ পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র ও কুটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। ইনশাল্লাহ, খুব শিগগিরই এসব অপচেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডা. ফখরুদ্দিন মানিক জানান, তিনি বি.এইচ.এম.এস (Bachelor of Homeopathic Medicine & Surgery) ডিগ্রিধারী। এটি ৫ বছর মেয়াদি গ্রাজুয়েশন কোর্স এবং ১ বছর বাধ্যতামূলক ইন্টার্নশীপসহ সম্পন্ন করতে হয়। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি অর্জনের পর নামের আগে ডাক্তার (ডা:) পদবি ব্যবহার করা আইন দ্বারা স্বীকৃত।
তার ভাষ্যমতে, হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি প্রদান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টি, যার অধীভুক্ত এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সসমূহও রয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ভর্তি সার্কুলার অনুযায়ী, দেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ (ঢাকার মিরপুর–১৪)-এ এই শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা কাউন্সিল আইন–২০২৩ অনুযায়ী ‘ডা:’ পদবি স্বীকৃত, যা জাতীয় সংসদে পাস হয়ে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দায়ের করা মামলার কার্যক্রম বর্তমানে স্থগিত রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এছাড়া তিনি জানান, হলফনামার মাধ্যমে তার শিক্ষাগত সনদ ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল করা হয়েছে, যেখানে পেশা হিসেবে চিকিৎসক উল্লেখ রয়েছে।
ডা. ফখরুদ্দিন মানিক বলেন, এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইতোমধ্যে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং অযথা হয়রানি, মিথ্যা অপপ্রচার ও সম্মানহানির ঘটনায় উচ্চ আদালতের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন