অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগের ১৭ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। এরপর সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, যার নেতৃত্বে রয়েছেন শান্তিতে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এই সরকার ইতোমধ্যে ১১ মাস পার করেছে। এ সময়জুড়ে দেশের সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
এ প্রেক্ষাপটে সোমবার (৭ জুলাই) প্রকাশিত হয়েছে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম) পরিচালিত একটি জরিপ। এতে দেখা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে বিএনপি পাবে সর্বাধিক ৩৮.৭৬ শতাংশ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে থাকবে জামায়াতে ইসলামি, যাদের ভোটপ্রাপ্তির সম্ভাব্য হার ২১.৪৫ শতাংশ।
তরুণদের অংশগ্রহণে পরিচালিত এ জরিপে আরও দেখা যায়, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পাবে ১৫.৮৪ শতাংশ ভোট, যা আওয়ামী লীগের চেয়ে কিছুটা বেশি। আওয়ামী লীগ পাবে ১৫.০২ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে অন্যান্য ধর্মীয় দলগুলো পাবে ৪.৫৯ শতাংশ, জাতীয় পার্টি ৩.৭৭ শতাংশ এবং অন্যান্য দল ০.৫৭ শতাংশ ভোট।
এর আগে কোরবানি ঈদের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা এপ্রিলের প্রথমদিকে নির্বাচন আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোটের সময় এগিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সরকারপ্রধানের দপ্তর জানায়, সংস্কার ও বিচারে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলে ফেব্রুয়ারিতে রোজার আগেই নির্বাচন আয়োজন সম্ভব।
মন্তব্য করুন