উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর অধিকাংশ অভিভাবকই দ্রুত স্কুল চালুর পক্ষে নেই। শিশুদের ভয় কাটাতে সময় নিতে চাচ্ছেন তারা। অভিভাবকরা বলেছেন, স্কুলের শিশুরা ওই ঘটনার পর মানসিকভাবে আঘাত পেয়েছে। তারা মা-বাবাকে সহপাঠীদের কথা বলছে। অনেকেই ঘুমের মধ্যে চমকে উঠছে। কেউবা রাতে ঘুম থেকে উঠে ভুলভাল কথা বলছে। তাই অনেক অভিভাবক কিছুদিন পর স্কুল চালুর পক্ষে মতামত দিয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সরেজমিন বিদ্যালয় ঘুরে এ তথ্য জানা গেছে।
শিক্ষার্থী তাসমিনার মা সোহানা আক্তার বলেন, ‘আমার মেয়ে স্কুল শাখার শিক্ষার্থী। ঘটনার দিন সে ক্যান্টিনে খাবারের জন্য অপেক্ষা করছিল। দুর্ঘটনাস্থলের ওই ভবনে থাকলে নিশ্চিত তার মৃত্যু হতো।’ তিনি আরো বলেন, ‘চারদিন পর স্কুলে মেয়েকে নিয়ে এসেছি। আমার মেয়ে কদিন ধরে কথা বলা কমিয়ে দিয়েছে।’
শামসুল ইসলাম নামে আরেক অভিভাবক জানান, ‘আমার সন্তান স্কুলে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। রাতে ঘুমের মধ্যে ভুলভাল কথা বলছে। শিশুদের মানসিক ট্রমা না কমা পর্যন্ত স্কুল না খোলার পক্ষেই আমার মত।’
এ বিষয়ে বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ডা. মুহিত কামাল বলেন, দুর্ঘটনায় শিশুরা মানসিকভাবে আঘাত পেতে পারে। তাদের ট্রমা কাটাতে সৃজনশীল কাজে উৎসাহ দিতে হবে।
সরেজমিনে গতকাল বৃহস্পতিবার দেখা গেছে, বিদ্যালয়ের গেট বন্ধ রয়েছে। উৎসুক লোকজন ভিড় করছে সেখানে। পুলিশ সদস্যরা তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দিচ্ছে। তবে গতকাল স্কুলের কজন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীকে সেখানে দেখা গেছে।
মন্তব্য করুন