জমি উদ্ধারে উদ্যোগ, ‘চাঁদা দাবির’ অভিযোগ ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা: জামায়াত নেতাদের দাবি
নাটোর একটি উপজেলার জমি সংক্রান্ত একটি ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘জামায়াত নেতা চাঁদা দাবি করায় গ্রেপ্তার’ এমন খবর ছড়িয়ে পড়লেও, সংশ্লিষ্টদের দাবি—ঘটনার প্রকৃত রূপ ভিন্ন।
উপজেলা জামায়াত ইসলামীর নেতা রুহুল আমিন জানান, “ওই জমি আমাদের পারিবারিক মালিকানাধীন। দীর্ঘদিন ধরে কিছু ব্যবসায়ী আমাদের জমি দখল করে দোকান চালিয়ে আসছেন। আমরা জমি ফেরত চাইলে তাঁরা দোকান ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান।”
জমি উদ্ধারের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়ভাবে এক সমঝোতা চেষ্টার কথাও জানান বিএনপি কর্মী হায়দার আলী। তিনি বলেন, “জমি বিরোধ মীমাংসার জন্য উপজেলা জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক ও জোয়াড়ী ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি আব্দুল মালেকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়। উভয় পক্ষই জামানত বাবদ ১৫ হাজার টাকা করে জমা দেয়। কিন্তু দোকানিরা পরে তা মানতে রাজি হননি।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ঘটনাটিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। জমির মালিকানা সংক্রান্ত আইনগত পদক্ষেপকে ‘চাঁদা দাবি’ হিসেবে প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
তাঁদের মতে, “নিজের মালিকানাধীন জমি উদ্ধার করাকে অপরাধ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা হচ্ছে। এতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার গন্ধ রয়েছে।”
মন্তব্য করুন